সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত street fighter movie নিয়ে বিশ্বজুড়ে গেমার এবং সাধারণ দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। KRIKYA-এর গেমারদের মতো যারা ছোটবেলা থেকে আর্কেড গেম খেলে বড় হয়েছেন, তাদের জন্য এই সিনেমাটি একটি নস্টালজিক উপহার। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই সিনেমাটি নিয়ে সমালোচক এবং দর্শকদের মধ্যে বিশাল মতপার্থক্য দেখা যাচ্ছে।
The street fighter movie: Nostalgia Versus Narrative
ফিলিপাইনে গত ১৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে সিনেমা হলে লাইভ-অ্যাকশন চলচ্চিত্র হিসেবে এটি মুক্তি পায়। এর আগে, ১৩ অক্টোবর এস এম মেগামল আইম্যাক্স-এ সিনেমাটির প্রিমিয়ার প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিতাও সাকুরাই পরিচালিত এবং প্যারামাউন্ট পিকচার্স পরিবেশিত এই সিনেমায় 'রিউ' চরিত্রে অ্যান্ড্রু কোজি এবং 'কেন মাস্টার্স' চরিত্রে নোয়া সেন্টিনিও অভিনয় করেছেন। শৈশবের সেই আইকনিক চরিত্রগুলোর এমন বাস্তব রূপায়ন দর্শকদের প্রথম দেখাতেই মুগ্ধ করেছে।
এছাড়া 'চুন-লি' চরিত্রে ক্যালিনা লিয়াং, 'ব্ল্যাঙ্কা' চরিত্রে জেসন মোমোয়া এবং 'গাইল' চরিত্রে কোডি রোডস-এর মতো তারকারা পর্দায় দারুণ পারফর্ম করেছেন। সিনেমাটির ১ ঘণ্টা ৫৯ মিনিটের এই দীর্ঘ সময়ে 'এম. বাইসন' (ডেভিড ডাস্টমালচিয়ান) এবং 'অ্যাকুমা' (রোমান রেইন্স)-এর মতো খলনায়করাও উপস্থিত ছিলেন। তবে সমালোচকদের মতে, এতগুলো চরিত্রকে একসাথে পর্দায় তুলে আনতে গিয়ে সিনেমার মূল কাহিনী কিছুটা খেই হারিয়ে ফেলেছে এবং চরিত্রগুলোর পেছনের গল্প বলার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়নি।
সমালোচকদের কাছে সিনেমাটি মাত্র ৪০% রেটিং পেলেও সাধারণ দর্শকদের কাছে তা ৮০% পর্যন্ত পৌঁছেছে। এর মূল কারণ হলো, দর্শকরা নিখুঁত গল্প খুঁজতে প্রেক্ষাগৃহে যাননি; তারা গেছেন ক্লাসিক ফাইটিং মুভগুলো বড় পর্দায় দেখতে। স্টান্ট কোরিওগ্রাফার জন ভ্যালেরার নির্দেশনায় ফাইটিং দৃশ্যগুলো দর্শকদের সেই পুরনো আর্কেড গেমিংয়ের স্মৃতি ফিরিয়ে আনে, যা তাদের কাছে সিনেমাটির আসল আকর্ষণ হিসেবে কাজ করেছে।